Tag: ডিমলা

  • মহানবী(সাঃ)কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে ডিমলায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ।

    মহানবী(সাঃ)কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে ডিমলায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ।

    মহানবী(সাঃ)কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে ডিমলায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ।


    ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতাদের কর্তৃক মহানবী (সাঃ)কে নিয়ে কটূক্তি ও অবমাননার প্রতিবাদে রাজধানীসহ সারাদেশের ন্যায় ডিমলায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

     

    ভারতীয় একটি টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নিয়ে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ও তার স্ত্রী আয়েশা (রাঃ) সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্য দেন নূপুর শর্মা। পরে একই বিষয়ে টুইটারে পোস্ট দেন নাভিন কুমার জিন্দাল।

     

    এ নিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপির দুই নেতা কর্তৃক মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর অবমাননা স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারছে না বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ।

     

    এ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে তীব্র সমালোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অনেকে মহানবী (সাঃ) এর প্রতি ভালবাসা ও শ্রদ্ধা জানিয়ে বিভিন্ন পোস্টও দিচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির দুই নেতার বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে শুক্রবার (১০ই জুন) বাদ জুম্মা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন নীলফামারী ডিমলা উপজেলার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর ব্যানারে সর্বস্তরের তৌহিদী জনতা।

     

    জুম্মার নামাজের পর ডিমলা সদর ইউনিয়নের বাবুরহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিজয় চত্বরে এসে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় ‘বিশ্বনবীর অপমান, সইবে নারে মুসলমান, ‘ইসলামের শত্রুরা, হুঁশিয়ার সাবধান, ভারতীয় পন্য বর্জন করুন নবীর সম্মান রক্ষা করুন ইত্যাদি স্লোগান দেন সর্বস্তরের তৌহিদী মুসলিম জনতা। সমাবেশে আগত বক্তারা বলেন, রাসুলকে (সাঃ) কে নিয়ে মিথ্যাচার করেছেন বিজেপির দুই নেতা। এর প্রতিবাদে মুসলমানরা আজ জেগে উঠেছে সারা দুনিয়ায়। বক্তারা আরো বলেন, বিশ্বনবীকে নিয়ে কটূক্তি কোনোভাবে মেনে নেওয়া হবে না।

     

    সরকারের প্রতি আহ্বান থাকবে সরকারও এর প্রতিবাদ জানাবে। সমাবেশে ডিমলা সদর ইউনিয়ন ছাড়াও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকার হাজারো মানুষ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।

  • ডিমলায় পল্লীশ্রীর প্রকল্প কার্যক্রম মনিটরিং ভিজিট ও অভিজ্ঞতা বিনিময়।

    ডিমলায় পল্লীশ্রীর প্রকল্প কার্যক্রম মনিটরিং ভিজিট ও অভিজ্ঞতা বিনিময়।

    ডিমলায় পল্লীশ্রীর প্রকল্প কার্যক্রম মনিটরিং ভিজিট ও অভিজ্ঞতা বিনিময়।


    সোনালী জনসংগঠনের“সোনালী দুগ্ধ উন্নয়ন সমবায় সমিতি” উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক নীলফামারীর ডিমলায় খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের দোহলপাড়া গ্রামে পল্লীশ্রীর প্রকল্প কার্যক্রম মনিটরিং ভিজিট এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুন) সকাল ১১ টায় পল্লীশ্রী অক্সফাম জিবির সহায়তায় রেজিলিয়েন্স থ্রো ইকোনমিক ইমপাওয়ারমেন্ট, ক্লাইমেট অ্যাডাপ্ট্যাশান, লিডারশীপ এ্যান্ড লার্নিং রিকল-২০২১ প্রকল্পের আয়োজনে খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের দোহলপাড়া গ্রামের সোনালী জনসংগঠনের “সোনালী দুগ্ধ উন্নয়ন সমবায় সমিতি” মনিটরিং ভিজিট এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

     

    এসময় সোনালী জনসংগঠনের সদস্য রাশেদা বেগমের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন সদস্য মহেছেনা বেগম। মনিটরিং ভিজিট এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেলায়েত হোসেন, সমাজ সেবা কর্মকর্তা নুরুন নাহার নুরী, ভেটেনারী সার্জন ও উপজেলা প্রানীসম্পদ অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোঃ সাইদুর রহমান, উপজেলা ভাইচ চেয়ারম্যান বাবু নীরেন্দ্র নাথ রায়, পল্লীশ্রী রি-কল ২০২১ প্রকল্পের সমন্বয়কারী পুরান চন্দ্র বর্মন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর শারমিন আক্তার ও গোলাম মোস্তফাসহ স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রেনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

     

    সোনালী জনসংগঠনের সদস্য মহেছেনা বেগম বলেন, ডিমলা উপজেলায় পল্লীশ্রী ০৫ টি ইউনিয়ন (পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী এবং খালিশা চাপানী) এর ৪৪টি জনসংগঠন বাস্তবায়ন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৪০ জন সদস্য নিয়ে সোনালী জনসংগঠনের যাত্রা শুরু পল্লীশ্রীর প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষন নিয়ে আমরা বিভিন্ন সরকারী-আধাসরকারী অফিসের মাধ্যমে বিভিন্ন সহযোগীতা পেয়েছি।

     

    এসময় সদস্য রাশেদা বেগম বলেন, আমাদের গ্রামে সোনালী জনসংগঠনের সদস্যদের নিয়ে “সোনালী দুগ্ধ উন্নয়ন সমবায় সমিতি” গড়ে তুলেছি ন্যায্য মুল্যে আমাদের উৎপাদিত দুধ এখান থেকে বাজারজাত করতে পারি। সদস্য সাইদুল হক বলেন পল্লীশ্রীর সহযোগীতায় আমি ব্যাংক থেকে ঋন গ্রহন করে উন্নত জাতের গাভী ক্রয় করে খামার স্থাপন করি এবং সেই সাথে ব্যায়োগ্যাস প্লান্ট বসিয়ে বাড়ির রান্নার কাজে ব্যবহার করে অনেক সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি। এসময় সদস্য ছবিয়া বলেন,সোনালী জনসংগঠনের মাধম্যে আমরা বাল্য বিবাহের ক্ষতিকারক দিক, মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কল্পে করনীয় বিষয়ে এলাকার জনসাধারনদেরকে পরামর্শ দিয়ে থাকি।

     

    এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেলায়েত হোসেন সোনালী জনসংগঠনের সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা আগে কিছু জানতেন না কোন অফিসে গেলে কোন সুযোগ সুবিধা পাওয়া যাবে পল্লীশ্রীর মাধ্যমে আপনারা জানতে পেরেছেন তাই আপনারা নিজেরাই নিজেদের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

  • ডিমলায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত।

    ডিমলায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত।

    ডিমলায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত


    নীলফামারীর ডিমলায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়েছে। একটাই পৃথিবী  প্রকৃতির ঐকটানে টেকসই জীবন, পরিবেশ দূষন বন্ধ করি, বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ি এই স্লোগানকে সামনে রেখে রবিবার (৫ মে) সকালে ডিমলা উপজেলা পরিবেশ সংরক্ষন ও আর্থ সামাজিক উন্নয়ন এসোসিয়েশন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও পল্লীশ্রী রি-কল ২০২১ প্রকল্পের আয়োজনে বিশ্ব পরিবেশ দিবসটি পালিত হয়। দিবসটি উপলেক্ষে উপজেলা পরিষদ চত্ত¡র থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান-প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পূণরায় একই স্থানে এসে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় মিলিত হয়। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেলায়েত হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ তবিবুল ইসলাম।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বাবু নিরেন্দ্র নাথ রায়, পল্লীশ্রী রি-কল প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী পুরান চন্দ্র বর্মন, গয়াবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ সামছুল হক, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার নুরুন নাহার, ডিমলা উপজেলা পরিবেশ সংরক্ষন ও আর্থ সামাজিক উন্নয়ন এসোসিয়েশন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাধারন সম্পাদক ইউনুস আলী মোল্লা (সাংবাদিক), সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদসহ সংগঠনটির সকল সদস্যবৃন্দ।

  • ডিমলায় বাস-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত-১।

    ডিমলায় বাস-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত-১।

    ডিমলায় বাস-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত-১।

    নীলফামারীর ডিমলায় আনিতা পরিবহন নামে এক ঢাকাগামী কোচের সাথে মোটর সাইকেলের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৩০-মে) সকাল ৮ টায় ৩০ মিনিটে সরদার হাট পল্লী বিদ্যুত অফিস সংলগ্ন স্থানে সংঘর্ষটি ঘটে।

    জানা যায়, আনিতা পরিবহনের কোচটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলে সরদার হাট নামক স্থানে মোটর সাইকেলের সাথে সংঘর্ষে সোহাগ ইসলাম বাবু (২৮) নামের একজন যুবক নিহত হন ও সাথী (১৪) নামের এক স্কুল ছাত্রী আহত হন। ঘটনাস্থল হতে গুরুতর অবস্থায় সোহাগ ইসলাম বাবুকে তাৎক্ষনিক ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।
    সাথীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষনিক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহত সোহাগ ইসলাম বাবু ডিমলা সদর ইউনিয়নের দক্ষিন কুমার পাড়া গ্রামের আব্দুল হামিদের তৃতীয় পুত্র। মৃত দেহ উদ্ধার করে ডিমলা থানা পুলিশ থানায় নিয়ে আসে।
    এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় ঢাকা মেট্রো-ব- ১৫-৬৬৩২ নম্বরের আনিতা পরিবহনের  কোচটি  ডিমলা থেকে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে পথিমধ্যে সরদারহাট এলাকায় মোটরসাইকেল আরোহীকে ধাক্কা দেয়।
    এ বিষয়ে ডিমলা থানার পুলিশ পরিদর্শক বিশ্বদেব রায় বলেন, নিহত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
  • ডিমলায় তামাক চাষমুক্ত করার লক্ষ্যে র‍্যালি ও আলোচনা সভা।

    ডিমলায় তামাক চাষমুক্ত করার লক্ষ্যে র‍্যালি ও আলোচনা সভা।

    ডিমলায় তামাক চাষমুক্ত করার লক্ষ্যে র‌্যালী ও আলোচনা সভা।

    নীলফামারীর ডিমলায় উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ডিমলায় তামাক চাষমুক্ত করার লক্ষ্যে তামাক চাষীদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার (২৯ মে) সকাল ১০টায় দশটি ইউনিয়নের কৃষক কৃষানীদের নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্তর থেকে র‌্যালীটি বের হয়ে শহরের প্রধান-প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ হলরুমে মিলিত হয়। উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভায় কৃষি সম্প্রসারন অফিসার কৃষিবীদ সহিদুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় সভাপত্বি করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেলায়েত হোসেন।
    এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আফতাব উদ্দিন সরকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ তবিবুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান বাবু নীরেন্দ্র নাথ রায়, অফিসার ইনচার্জ মোঃ লাইছুর রহমান, উপ-সহকারী কৃষিকর্মকর্তাগন, স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দসহ দশটি ইউনিয়নের কৃষক-কৃষানীরা। আলোচনা সভায় কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ সেকেন্দার আলী বলেন, উপজেলায় প্রায় ৩০০ কৃষক তামাক চাষ করে, তামাক চাষকে না বলি তেল ফসলের আবাদ করি। তামাক চাষ স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ তাই তামাক চাষে কৃষক-কৃষানীদের নিরুসাহিত করতে উপ-সহকারী কৃষিকর্মকর্তাগন মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেলায়েত হোসেন বলেন, ডিমলা উপজেলাকে তামাক চাষমুক্ত উপজেলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে আজকের এই র‌্যালী ও আলোচনা সভা আশা করি কৃষক-কৃষানীরা তামাক চাষ পরিহার করবে এবং তামাকের পরিবর্তে ধান, গম, ভ‚ট্টা, পাট সহ অন্যান্য ফসল চাষাবাদে আগ্রহী হবে।
    নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আফতাব উদ্দিন সরকার বলেন, “কৃষিই সমৃদ্ধি” এই শ্লোগান কে সামনে রেখে তামাক চাষে কৃষক-কৃষানীদের নিরুসাহিত করতে হবে, বিকল্প ফসল চাষে আগ্রহ তৈরী করতে হবে,  উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর থেকে কৃষকদের সরকারী নানা সুযোগ সুবিধার আশ্বাস দেন তিনি।
  • ধান কাটা শ্রমিক সংকট বিপাকে ডিমলার কৃষক।

    ধান কাটা শ্রমিক সংকট বিপাকে ডিমলার কৃষক।

    ধান কাটা শ্রমিক সংকট বিপাকে ডিমলার কৃষক

    নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার দশটি ইউনিয়নের বিস্তৃর্ণ মাঠে দু-চোখ যতদুর যায় ততদুর পর্যন্ত পাঁকা সোনালী  ধান ক্ষেত আর ধান ক্ষেত । শনিবার (১৪ মে) দুপুর দুইটায় সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার সুন্দর খাতা, বালাপাড়া, তিতপাড়া, খগাখড়িবাড়ী, পশ্চিম ছাতনাই, গয়াবাড়ী, ছোটখাতা, চাপানী, নাউতারা, ডিমলাসহ বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায় বিস্তৃর্ণ মাঠের পাঁকা ধান শ্রমিক সংকটের কারনে ঘরে তুলতে পারছে না কৃষক।

    ধানের ফলন আশানুরুপ হলেও ধান কাটার আধুনিক যন্ত্র পর্যাপ্ত না থাকায় শ্রমিক সংকটে দিশেহারা কৃষক। শ্রমিকের উপর ভরসা করতে হচ্ছে কৃষকদের ক্ষেতের ধান কাটার জন্য তবুও মিলছে না শ্রমিক । ঘনঘন বৃষ্টির ফলে ধান ক্ষেতে পানি জমাট বেঁধে আছে। জমির ধান কাটা নিয়ে বিপদে আছে এ এলাকার কৃষক। শ্রমিক সংকটের কারনে অনেক কৃষক পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ধান কাটা শুরু করেছে।
    আবহাওয়া অনুকুল না থাকায় শ্রমিক সংকটের কারনে কৃষকেরা বিঘা প্রতি (৩০ শতাংশ) জমির ধান কাটতে গুনতে হচ্ছে ৪০০০ থেকে ৪৫০০ টাকা পর্যন্ত যা গত বছরের চেয়ে অনেক বেশী। খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের কৃষক প্রিন্স জানান, ৭ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপন করেছি । ধান ক্ষেতে হাটু পরিমান পানি। ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এমনিতেই শ্রমিক সংকট আবার ধান ক্ষেতে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধ এজন্য বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে তবুও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না ।
    বালাপাড়া ইউনিয়নের কৃষক জিকরুল হক জানান, আট বিঘা জমির ধান ৯৫ ভাগ পেকেছে বিঘা প্রতি (৩০ শতাংশ) জমির ধান কাটতে ৫০০০ টাকা দিলেও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। ধান কাটা শ্রমিক না থাকায় কোমর পরিমান পানিতে দু- একটা দিনমুজুর আর ছোট ছোট ছেলেদের নিয়ে ধান কাটতেছি যদি আকাশের বৃষ্টি হয় আর উজানের পানি আসে তাহলে ধান তলিয়ে যেতে পারে।  চার পাঁচটি কলা গাছ এক সঙ্গে বেঁধে ভেলা সাজিয়ে ধানের আঠি কোমর পরিমান পানির মধ্যে ক্ষরত থেকে তুলে ডাঙ্গায় তোলা খুবকষ্ট সাধ্য। তিনি বলেন অন্যান্য গ্রামের কৃষকদেরও একই অবস্থা।  স্থানীয় বাজারে ধানের বাজার মুল্য আশানুরুপ না থাকায় কৃষকরা হতাশ। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, ডিমলা উপজেলায় বোরো মৌসুমে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি বছর এ উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি পরিমানের বোরো ধান চাষ হয়েছে।
    এ বিষয়ে ডিমলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ সেকেন্দার আলী বলেন, বোরো ধানের ফলন ভালো হয়েছে। শ্রমিক সংকট দেখা যাওয়ায় অনেক এলাকার কৃষকেরা আধুনিক যন্ত্রপাতি হারভেস্টার ব্যবহার করে ধান কেটে পাঁকা ধান ঘরে তোলার চেষ্টা করছে। শ্রমিক সংকটের কারনে ক্ষেতের পাঁকা ধানের ক্ষতি হতে পারে তবে দু-একদিনের মধ্যে শ্রমিক সংকট থাকবে না। কৃষকেরা আমাদের প্রান। কৃষকেরা এ উপজেলার খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে দেশের জনগনের খাদ্য চাহিদা পুরন করতে সক্ষম হবে এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে সর্বাত্মক চেষ্টা করবে।
  • ডিমলা সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতীয় গরু উদ্ধার।

    ডিমলা সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতীয় গরু উদ্ধার।

    ডিমলা সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতীয় গরু উদ্ধার

    নীলফামারী ডিমলা উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন পূর্ব ছাতনাই ও পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে শুক্রবার গভীর রাতে থানার হাট বিজিবি ও ডিমলা থানা পুলিশ এসব  ভারতীয় গরু উদ্ধার করে। বর্তমানে গরুগুলো থানার হাট বিজিবি ক্যাম্পে ১৩টি ও ডিমলা থানায় ৮টি গরু আটক রয়েছে।

    থানার হাট বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার আবু সাঈদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গত শুক্রবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা টহলে গেলে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা গরু রেখে পালিয়ে যায়। আমার টহল টিম ১৩টি  ভারতীয় গরু উদ্ধার করে থানার হাট বিজিবি ক্যাম্পে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে নিলামের মাধ্যমে গরুগুলো বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা দেওয়া হবে।
    পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী পুলিশ সুপার (ডোমার সার্কেল) আলী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮টি ভারতীয় গরু উদ্ধার করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গরু রেখে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায়। বর্তমানে উদ্ধার করা ৮টি গরু  ডিমলা থানায় আটক রয়েছে।
    ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লাইছুর রহমান  বলেন, ৮টি ভারতীয় গরু আটক করা হয়েছে। সরকারী বিধি মোতাবেক নিলামের মাধ্যমে গরু গুলো বিক্রয় করা হবে।
  • ডিমলায় বুড়ি তিস্তার বাঁধ মেরামত না হওয়ায় হতাশায় কৃষক।

    ডিমলায় বুড়ি তিস্তার বাঁধ মেরামত না হওয়ায় হতাশায় কৃষক।

    ডিমলায় বুড়ি তিস্তার বাঁধ মেরামত না হওয়ায় হতাশায় কৃষক

    নীলফামারীর ডিমলায় বালাপাড়া ইউনিয়নের নিজ সুন্দর খাতা গ্রামের খাল পাড়া হইতে খোকসার ঘাটের উজানে দক্ষিন সুন্দর খাতা পর্যন্ত বুড়ি তিস্তার বাঁধটি দেশ স্বাধীনের পূর্বে নির্মিত।

    ১৯৮৮ সালের প্রাকৃতিক দূয্যোর্গ বন্যার পানিতে ৮০-১০০ ফিট বাঁধটি ভেঙ্গে যায়। এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধটি এক সময় মেরামত করা হলেও উজানের পানির ঢলে ভেঙ্গে য়ায়। দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও বুড়িতিস্তা নদীর পূর্বপাশ ঘেষা কচুবাড়ীর দলার বাঁধটি মেরামত করা আজও সম্ভব হয়নি। বাঁধটি মেরামত না হওয়ায় উত্তরাঞ্চলের শস্যভান্ডার খ্যাত ডিমলা উপজেলার নিজ সুন্দর খাতা, মধ্যম সুন্দর খাতা, দক্ষিন সুন্দর খাতা গ্রামের কয়েক হাজার বিঘা জমিতে এ এলাকার কৃষকেরা বর্ষা মৌসুমে আমন ধান রোপন করতে পারে না ।
    ফলে প্রতিনিয়ত কৃষকেরা স্বপরিবারে অভাব অনটনের মধ্যে মানবেতর জীবন যাপন করছে। চলতি বোরো মৌসুমে বাঁধের ভাটিতে কৃষকেরা বোরো ধান চাষাবাদ করলেও তারা এখন পাঁকা ধান কাটতে ঝুকির মুখে। ইতিমধ্যে কাল বৈশাখী ঝড়ো হাওয়ায় ফলে উপজেলার স্থানীয় লোকজনদের ঘরবাড়ী, গাছপালা, ভুট্টাক্ষেত সহ অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বোরো ধান পাকার আগ মুহুর্তে বুড়ি তিস্তা নদীর বাঁধের ভাঙ্গা অংশ দিয়ে উজানের পানি প্রবাহিত হয় তাহলে কৃষকদের বাঁচার উপায় থাকবে না।
    শুক্রবার (১৩ মে) বিকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, ডিমলা সদর উপজেলা থেকে ৫ কিঃ মিঃ দুরে বুড়িতিস্তা নদীর পূর্বপাশ ঘেষে বালাপাড়া ইউনিয়নের সুন্দর খাতা মাইঝালীর ডাঙ্গা গ্রামের কচুবাড়ীর দলার খালপাড়া সংলগ্ন বাঁধটি। বুড়ি তিস্তা নদীটির নাব্যতা না থাকায় শুকনো মৌসুমে কৃষি জমি হিসেবে ব্যবহার করে অনেকে বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষাবাদ করে আসছে। এর ফলে নদীর নাব্যত্য যেমন হারিয়ে গেছে তেমনি বর্ষা মৌসুমে উজানের পানির ঢলে বাঁধটি ভেঙ্গে পার্শ্ববর্তি কৃষি জমিগুলোকে ক্ষতিগ্রস্থ্য করছে।
    বন্যার পানিতে বাঁধটি ক্ষতিগ্রস্থ্য হওয়ায় এ অবধি এলাকার গরীব অসহায় কৃষকেরা আমন ধান রোপন করতে পারে না। ইরি ধান মৌসুমে জমিগুলোতে বোরো ধান চাষাবাদ করলেও বোরো ধানকাটা মৌসুমে বুড়িতিস্তা নদীর পানি বাঁধটির ভাঙ্গা অংশ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় চাষাবাদকৃত পাঁকা বোরো ধান তলিয়ে গিয়ে অনেক কৃষকের পাঁকা ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়  এবং মধ্যম সুন্দর খাতা মাঝিয়ালীর ডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যায়লয়টির মাঠ বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।  বিদ্যালয়টির মাঠটি পানিতে তলিয়ে গেলে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকাসহ জনসাধারনের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হবে।
    বাঁধটি বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়ায় ফলে সুন্দর খাতা কচুবাড়ীর দলা হইতে খোকসারঘাট ব্রীজের উজানের জমিগুলো আমন মৌসুমে চাষাবাদের অনুপযুক্ত। জমিগুলোতে কৃষকেরা বোরো ধান চাষাবাদ করে দৈনন্দিন মানবেতর ভাবে জীবন যাপন করে আসছে।
    কৃষকদের দিকে তাকিয়ে ও দেশের খাদ্য চাহিদার বৃহৎ স্বার্থের কথা বিবেচনা করে বুড়িতিস্তার বাঁধটি মেরামত করলে এলাকার কৃষকেরা উপকৃত হবে। স্থানীয় কৃষকেরা জানান, চলতি বোরো মৌসুম ধান পাঁকার আগে বাঁধের ভাঙ্গা অংশ দিয়ে পানি ঢুকে পড়লে আমাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে এবং তা পুষিয়ে নিতে পারব না। স্থানীয়দের দাবী সরকারী বরাদ্ধে দ্রুত সময়ের মধ্যে বাঁধটি মেরামত করা হলে এলাকার কৃষকদের মুখে হাসি ফুটবে সেই সাথে তারা এক ফসলী জমিতে দুই ফসল চাষাবাদ করতে পারবে।
    বালাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ জাহিদুল ইসলাম জানান, বুড়িতিস্তা নদীর বাঁধটি অনেক দিন আগে ভেঙ্গে যায়। এ এলাকার কৃষকেরা জমিতে আমন ধান রোপন করতে পারে না কৃষকেরা ইরি-বোরো ধানের উপর নির্ভরশীল। ইরি-বোরো ধান পাঁকার শেষ মুহুর্তে যদি জমিগুলোতে উজানের পানি ঢুকে পড়ে তাহলে কৃষকদের অপূরনীয় ক্ষতিসাধন হবে। বন্যার কবল হইতে বাঁধটি মেরামত করা জরুরী প্রয়োজন আমি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে বাঁধটি মেরামতের কথা তুলে ধরে কৃষকদের মুখে হাসি ফোটার চেষ্টা করব।
  • বোরো ধান কেটে ঘরে তুলতে ব্যস্ত ডিমলার কৃষক।

    বোরো ধান কেটে ঘরে তুলতে ব্যস্ত ডিমলার কৃষক।

    বোরো ধান কেটে ঘরে তুলতে ব্যস্ত ডিমলার কৃষক

    নীলফামারীর ডিমলায় চলতি মৌসুমে কৃষকের রোপনকৃত বোরো ধান কর্তন শুরু হয়েছে।উপজেলার  ডিমলা সদর ইউনিয়নসহ বালাপাড়া, খগাখড়িবাড়ি, পশ্চিম ছাতনাই, ছাতনাই, নাউতারা, গয়াবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাপানী ও ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের সর্বত্র এলাকায়  চলতি বোরো মৌসুমে বিভিন্ন জাতের পাঁকা ধান ঘরে তুলতে কৃষক সহ শ্রমিকরা ব্যস্ত।

    রবিবার ( ৮ মে)  সকাল ১০ টায় সুন্দর খাতা গ্রামে সরে জমিনে দেখা যায়  কৃষকেরা স্বপ্নের সোনালী ফসল ঘরে তোলার জন্য পাঁকা ধান কাটতে শুরু করেছে । কৃষকদের আনন্দের শেষ নেই নতুন ফসল ঘরে আসবে এই খুশিতে। অনেকে দিনমুজুর না পেয়ে পরিবারের লোকজনদের নিয়ে ধান কাটছে।
    কৃষক আব্দুল হামিদ জানান এক বিঘা জমির ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যয় হচ্ছে চার হাজার টাকা সেই হিসেবে সব মিলে প্রায় বিঘা প্রতি দশ হাজার টাকা ব্যয় ধানের দাম না পেলে লাভের মুখ দেখতে পারব না।
    কৃষক মাহামাদুল ইসলাম জানান এলকার প্রায় সব জমির ধান পেকেছে তবে শ্রমিক সংকটের কারনে অনেকে দুশিন্তায় আছে প্রাকৃতিক দূর্যোগের ভয়ে। এদিকে  উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ  সেকেন্দার আলী জানান আগামী ১১ মে পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড় অশনি ১০ – ১২ মে তারিখের মধ্যে বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে তাই ধান ও ভূট্রা ৮০% পেকে গেলে দ্রুত কেটে ফেলার পরামর্শ দেন স্থানীয় কৃষকদের।
  • ডিমলায় ঈদ আনন্দ করতে গিয়ে মোরসালিন নামের এক শিশু কুকুরের কামড়ে ক্ষতবিক্ষত।

    ডিমলায় ঈদ আনন্দ করতে গিয়ে মোরসালিন নামের এক শিশু কুকুরের কামড়ে ক্ষতবিক্ষত।

    ডিমলায় ঈদ আনন্দ করতে গিয়ে মোরসালিন নামের এক শিশু কুকুরের কামড়ে ক্ষতবিক্ষত। 

    নীলফামারী ডিমলায় ঈদ আনন্দ করতে গিয়ে কুকুরের কামড়ে জখম হয়েছে এক শিশু। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,জেনারুল ইসলামের একমাত্র পুত্র  মোরসালিন (৫) ঈদের নামাজ পড়তে ও ঈদ আনন্দ করতে ময়দানে গেলে কুকুরের কামড়ে গুরুতর জখম হয়।

    মঙ্গলবার (৩ মে) মধ্যম সুন্দর খাতা মাইঝালির ডাঙ্গা গ্রামে ঈদের ময়দানে ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়তে যায় মোরসালিন। এসময় মুসল্লিরা ময়দানে ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়া শুরু করলে কুকুরের কামড়ে শিশু মোরসালিন গুরুতর জখম হয় । মুসল্লিরা নামাজ শেষে মোরসালিনকে কুকুরের হাত থেকে উদ্ধার করে।
    পরে তাকে ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রংপুরে রের্ফাড করেন। জখমী  মোরসালিনের  বাবা জেনারুল ইসলাম প্রতিবেশী মুসা মিয়াকে সাথে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
    মঙ্গলবার বিকেলে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ঈদের দিন যেখানে সকলের বাড়িতে ঈদের আনন্দ সেখানে মোরসালিন নিজ বাড়িতে বিছানায় শয্যা। স্থানীয়রা মোরসালিনকে দেখতে এসেছেন।  মোরসালিনের মা মনিরা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে সংবাদকর্মীকে বলেন “মা তুমি রান্না কর আমি ঈদের নামাজ পড়ে এসে খাব”। জানা যায় মোরসালিনের বাবা জেনারুল ইসলাম ডোমার উপজেলাধীন মৌজাপাঙ্গা (১ নং ওর্য়াড) গ্রামের বাসিন্দা।