শিরোনাম
মাধবপুরে শিয়ালের আক্রমণে ক্ষতবিক্ষত কৃষক প্রাণেশের ঠোঁট। দেশবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জামায়াত নেতা মুহাম্মদ নুরুজ্জামান লিটন। মাধবপুরে ঈদের দিন স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় স্বামী নাজমুল গ্রেপ্তার। উল্লাপাড়ায় ঈদের নামাজ আদায়কে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত-১১। দারুল ক্বিরাআত প্রতিযোগিতায় গুলবাগ বাইতুর রহমত জামে মসজিদে প্রথম পুরস্কার পেল শিশু হালিমা। বিএনপি নেতা লোকমানসহ ৫০ জনের নামে চাঁদাবাজি মামলা,গ্রেফতার-৪১। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ডিমলায় বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল। রায়পুরায় অবৈধভাবে চাঁদা উত্তোলনের বন্ধ করলো প্রশাসন নিজাম খাঁনের বাবা-মার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল। মাধবপুরে ওয়াচ টাওয়ার পরিদর্শনে জেলা  পুলিশ সুপার।
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন

মাধবপুর উপজেলা হাসপাতাল নতুন রুপে দেখতে চাই,স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বললেন-ব্যারিষ্টার সুমন।

নাহিদ মিয়া,মাধবপুর(হবিগঞ্জ)প্রতিনিধি। / ১৩২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের তারিখ ও সময় : শনিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৪

নাহিদ মিয়া,মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি।
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে হবিগঞ্জ-৪ আসেনর নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন সাথে উপজেলা বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তার , সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে আজ শনিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সভায় হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেছেন, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হয়ে হাসপাতাল যেন অস্বাস্থ্যকর না হয়। তিন মাসের মধ্যে মাধবপুর উপজেলা হাসপাতালকে নতুন রূপে দেখতে চাই। কোন সেবা গ্রহীতার অভিযোগ শুনতে চাইনা।তিনি শনিবার দুপুরে মাধবপুর উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমার ব্যক্তিগত অপছন্দ অপছন্দের কোন লোক নেই। আমার কোন লোক থানায় গিয়ে তদবির করবে না। আমি হয়ত মাঝে মধ্যে থানায় গিয়ে খোঁজ নিতে পারি আমার উপজেলা কেমন আছে। আমি গাড়ি নয়, আমি পায়ে হেঁটে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের খোঁজ নিব। প্রতিটি পাড়া মহল্লা আমার পরিচিত।
সুমন বলেন, আমি সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময়ে আমার অর্ধেক সময় চলে যাবে সচিবালয়ে শুধু তদবির করতে। কারণ আমি জনগণকে কথা দিয়েছি আমি উন্নয়ন করব, আমি পবিবর্তন করব। দুইজন মন্ত্রী থাকার পরও যে কাজগুলো হয় নাই আমি সেই কাজগুলো করতে চাই মাদক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ধর্মঘর ইউনিয়নে নাকি মাদকের কারবার নাকি বেশি চলে। আজকের পর থেকে আমি আর একথা শুনতে চাই না।
এ সময় তিনি কৃষি বিভাগকে উদ্দেশ্য করে বলেন, পরিপত্র ছাড়া কোন ধরণের কাঠের গাছ লাগানো যাবে না। লাগানো মানে হচ্ছে একটা হটিলুট। দুই তিন বছর পরে কাটা হয়, এরপর এগুলা শেষ হয়ে যায়। এখন থেকে সরকারি পরিপত্রের পরে শুধু ফলের গাছ লাগাবেন। যাতে করে ভবিষ্যতে প্রতিটি মানুষের জন্য কাজে লাগে। এ মতবিনিময় সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.কে এম ফয়সাল এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ শাহজান,পৌর মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক,সাবেক মেয়র শাহ মোঃ মুসলিম,ইউ/পি চেয়ারম্যানবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ এবং সাংবাদিকনেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর