শিরোনাম
মাধবপুরে শিয়ালের আক্রমণে ক্ষতবিক্ষত কৃষক প্রাণেশের ঠোঁট। দেশবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জামায়াত নেতা মুহাম্মদ নুরুজ্জামান লিটন। মাধবপুরে ঈদের দিন স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় স্বামী নাজমুল গ্রেপ্তার। উল্লাপাড়ায় ঈদের নামাজ আদায়কে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত-১১। দারুল ক্বিরাআত প্রতিযোগিতায় গুলবাগ বাইতুর রহমত জামে মসজিদে প্রথম পুরস্কার পেল শিশু হালিমা। বিএনপি নেতা লোকমানসহ ৫০ জনের নামে চাঁদাবাজি মামলা,গ্রেফতার-৪১। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ডিমলায় বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল। রায়পুরায় অবৈধভাবে চাঁদা উত্তোলনের বন্ধ করলো প্রশাসন নিজাম খাঁনের বাবা-মার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল। মাধবপুরে ওয়াচ টাওয়ার পরিদর্শনে জেলা  পুলিশ সুপার।
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন

বিরামপুরে ইরি বোরো ধানের বীজ রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক।

মোঃ নয়ন হাসান, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি / ৩৫২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের তারিখ ও সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২১

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ক্ষুদ্র-প্রান্তিক কৃষকগণ ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে প্রাণের স্পন্দনে ঘন কুয়াশা, হিমেল হাওয়া, কনকনে শীতকে উপেক্ষা করে সাত সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বোরো চারা রোপণে মেতে উঠেছেন।
বৃহস্পতিবার উপজেলা ও পৌর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্প, ডিজেল ইঞ্জিন (শ্যালো মেশিন) দিয়ে সেচ সরবরাহের মাধ্যমে জমিতে কৃষক-কৃষাণীরা জমিতে হালচাষ, মই টেনে জমি সমান করা, সার প্রয়োগ,সেচ প্রদান, বীজতলা থেকে চারা উত্তোলন,আবার অনেকে অধিক শ্রমিক নিয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে বোরোর চারা রোপণ করছেন।
এ দিকে চাষিরা যেন সঠিক ভাবে ফসল চাষাবাদ ও পরিচর্যা করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে তৃণমূল পর্যায়ে কৃষি উপ- সহকারী অফিসার মাঠে গিয়ে সার্বিক পরামর্শ দিচ্ছেন। কৃষক সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবার শীতে বীজতলার তেমন কোন ক্ষতি না হওয়ায়, সংকট এড়িয়ে স্বস্তিতে চারা রোপণ করতে পারছেন।

ধান বীজ রোপণ অবস্থায় কৃষক

উচ্চ ফলনশীল জিরা শাইল,আটাশ, ব্রি-ধান-২৯,
ব্রি-ধান-৫৪,ব্রি-ধান-৭৪,ব্রি-ধান-৮৯ এছাড়া ও বিভিন্ন হাইব্রিড জাতের ও স্থানীয় জাতের ধানের চারা রোপন করছেন তারা। উপজেলার দিওড় ইউনিয়নের রুপরামপুর গ্রামের মোকছেদ আলী ও বিরামপুর পৌরসভার মানুষমুড়া গ্রামের ওবাইদুল ইসলাম জানান,অধিকাংশ জমিতে বোরো ধান রোপন প্রায় শেষ পর্যায়ে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলন পাওয়া যাবে বলে দৃঢ় আশাবাদী।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিকচন চন্দ্র পাল জানান, চলতি বছর ১৫ হাজার হেক্টর  জমিতে ইরি-বোরো চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রযুক্তির ছোঁয়ায় অল্প সময়ে কৃষকরা জমিতে চাষাবাদ করছেন। এবছর আবহওয়া আনুকুলে থাকায় ধানের বাম্পার ফলন ও ন্যায্য মূল্য পেলে  এ এলাকার লোকের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে আমূল পরিবর্তন ঘটবে। কৃষকগণ যাতে সঠিকভাবে ধান ঘরে তুলতে পারে, এ ব্যাপারে সবধরনের কৃষি সেবা অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর